সংলাপ

অসমাপ্ত

ফরহাদ হোসেন

(সময়-বিকেল;বাতাস বইছে মৃদুমন্দ।সূর্য ডুবতে এখনো দেরি আছে।হিরু,দিপা রাস্তা দিয়ে গল্প করতে করতে হাঁটছে।তারা খুব ভালো বন্ধু।)

দিপা – তুই একটা মেয়ের কথা বলতি না।কি হল মেয়েটার?বলেছিস তোর মনের কথা।

হিরু-  না!কই আর সাহস পেলাম।যদি রাগ-টাগ করে।তার চেয়ে বরং এভাবেই ভালোবেসে যাই।ভালোবাসা পেতে হবে এমন তো কোন কথা নেই।অনেকেই তো ব‍্যর্থ প্রেমিক।আমিও না হয় তাদের এক জন।

দিপা- ভালোবাসিস আর বলবি না।এটা কি হয়।যদি ভালোবাসা নাই পেলি তো লাভ কি?

হিরু  – :লাভ -ক্ষতির চিন্তা করে কি ভালোবাসা হয়।এটা তোর ভুল ধারনা।

দিপা   – :ওহ!আমার ধারণা ভুল।কবে যে তোর কাছে আমার কথা ঠিক হয়েছে।

হিরু  – সত্যি বলছি,এই অনুভূতি কি ভাবে এসেছে বুঝতে পারিনি।আজ চোখ ক্লান্ত!মন ব‍্যকুল!পা উদভ্রান্ত!রবীন্দ্রনাথের গানটা মনে আছে-

“যদি জানতেম কিসেরও ব‍্যথা।তোমায় জানাতেম…”

সব সময় বুকের মধ্যে ব‍্যথা অনুভব করি।

দিপা:জানিস না বুঝি,কিসের ব‍্যথা।

হিরু:জানি…একটু-আধটু।(হেসে)

ওর কথা মনে হলে,খুশিরা উথাল-পাথাল করে।মনে মনে হাসি,গান গাই।চারপাশের সবুজ গাছপালা,আকাশের নীল যেন আরো গাঢ় হয়ে মনকে রাঙ্গিয়ে দেয়….ছাড়!এসব বলতে লজ্জা লাগে!(মেয়েলি ঢংয়ে লজ্জা প্রাকাশ করে।)

দিপা  – ওমা ! কি ন‍্যাকা!সত্যি তুই পারিস বটে!

হিরু   – :ধুর ! ইয়ার্কি করিস না।

দিপা –  নামটা কি?

হিরু   – নিলীমা।

দিপা  – এই জন্যই আকাশ আজকাল বেশি নীল।

হিরু    মনে হয়!(হেসে)

আর একটা কথা,আমি নিলীমাকে আমার মনের কথা বলেছি।

দিপা  – ওহ ! বলেছিস,…এতক্ষন থেকে শুধু ঢং করলি।কি বলেছে সে?

হিরু -:   কিছু বলেনি!অবাক চোখে পাহাড়ের মত দাঁড়িয়ে ছিল।

দিপা   – আর তুই নদী পেরিয়ে সমুদ্রে পাড়ি দিয়েছিস!

হিরু –    আরে ভাই!ভালোবাসা পাবর জন্য ভালোবাসিনি।শুধু ভালোবাসতে চাই।ভালোবাসার অসীম সমুদ্রে পাড়ি দিতে চাই।

দিপা  – :দেখিস ডুবে যাবি।তোর ফালতু কথা শুনে আমার কোন লাভ নেই।তার চেয়ে বরং একদিন মেয়েটাকে দেখাইস।খুব সুন্দরী মনে হয়।

হিরু   – ভালো…তবে খুব যে সুন্দর সেটা না।কিন্তু কি জানি আছে ওর মধ্যে।দিনরাত মনটা ছুটে যায় দেখা করতে। চোখ দুটো সমস্ত সৌন্দর্যের ভান্ডার!আর সে তার মালকিন।

দিপা –  হেরে!তুইতো…..!

হিরু  – কিছু বলবি না….

(রাস্তা দিয়ে একটা মেয়ে আসছে।হিরু একদৃষ্টিতে তাকিয়ে।নরা চরা নেই,কথা নেই।)

দিপা  – কি হল রে?একদম চুপচাপ যে।

(দিপার দৃষ্টি পরল মেয়েটির উপর)

মেয়ে দেখলে তোদের না!….এই মেয়েটা না কি?তোর চোখ মুখ দেখে কেমন কেমন লাগছে।কি রে কথা বল?

(মেয়েটি দুজনকে অতিক্রম করে হাসতে হাসতে চলে গেল।এতক্ষণ পর হিরু কল্পনার জগৎ থেকে বাস্তবের মাটিতে নেমে এল।)

হিরু  – দিপা এই মেয়েটা রে!এই মেয়েটা!

দিপা   – বাহ্!তোর পছন্দ আছে মানতে হবে।কি করে?

হিরু – :কলেজ-টলেজ যায় মনে হয়।চাকরি তো করে না।

দিপা:দেখে কম বয়স মনে হয়।

হিরু:  – কম বয়স মানে!

দিপা: – আচ্ছা কোচি খুঁকি!তোর বয়সটা দেখেছিস বুড়ো-হামড়া কথাকার।

হিরু – :তোর বয়স দিনে দিনে কমতে কমতে ১৪-১৫ তে এসে দাঁড়িয়েছে।দেখ গালে-মুখে বয়সের ছাপ।বুড়ি!কোথাকার…..

দিপা – :শুন,এখনো না ছেলেরা লাইন দেয় আমার পিছনে।

হিরু:আমার পিছনে কম মেয়ে লাইন দেয় নাকি।

দিপা – :দেখলাম তো কি রকম লাইন দেয়।

(হিরু রেগে গিয়ে)

হিরু – :কেন?হেসে হেসে গেল না মেয়েটা।

দিপা – :সব মেয়েরাই যদি শুনে কেউ তাকে পছন্দ করে।তাহলে পাশ দিয়ে গেলে হাসেই।এটা এমন কিছু না।..

হিরু – :তুই আমাকে রাগাবি না।তোকে আনলাম মনের কথা বলতে আর তুই ছিঃ ছিঃ!

দিপা – :আরে তুই তো রেগে যাচ্ছিস।ইয়ার্কি করলাম আর দেখতো…আচ্ছা ঠিক আছে,বল আমি কি করতে পারি তোর জন্য?

হিরু – :তুই আমার হয়ে কথা বল না।তুই তো মেয়ে।ওর মনের কথা ভালো জানতে পারবি।

দিপা   – অবশ্যই মেয়ে।সন্দেহ আছে।(হাসতে হাসতে)

হিরু –   তোর তো শুধু……

দিপা:আচ্ছা ঠিক আছে আমি কথা বলবো।এই কাজ করলে আমাকে কি দিবি শুনি?

হিরু  – :যা চাইবি দেব।

(সূর্য অস্ত গেছে।অন্ধকার চারপাশ।)

দিপা –  সন্ধ্যা হয়ে গেল বাড়ি যেতে হবে।

হিরু – চল তোকে পৌচ্ছে দিয়ে আসি।

(দুজনে দিপার বাড়ির দিকে যেতে লাগলো।…….বাড়িতে পৌচ্ছে‌।)

দিপা – :বাই!

হিরু:  – বাই তো বললি।মনে হারাবি না কিন্তু।

দিপা  – :আরে হারাবো না।

(হিরু  বাড়ি চলে গেল।)

                                               (২)

(কয়েক দিন পর রাস্তায় দিপা আর সেই মেয়েটির দেখা।)

দিপা  – :নিলীমা।শোন একটু।

নিলীমা:  – আমি..(নিজের দিকে আঙ্গুল নির্দেশ করে।)

দিপা   – :হ‍্যাঁ,তুমি।নিলীমা না তোমার নাম?

নিলীমা:  – হ‍্যাঁ,আপনি কে?আর আমাকে কি করে চেনেন!

দিপা  – :তোমাকে না চিনলে হয়।তুমি আমার সতিন সাজতে যাচ্ছ।

নিলীমা:মানে!

দিপা:   – হিরুকে চেন।সে আমার খুবই ভাল বন্ধু।আগে একসাথে হলে কত কথা হত।এখন আমাকে তেমন গুরুত্ব দেয় না।একসাথে হলে শুধু তোমার কথা বলে।তোমাকে খুব ভালোভাবে।

নিলীমা:আমি কি করতে পারি?

দিপা  – :ওকে তোমার ভালো লাগে না।

নিলীমা:ভালো লাগা না লাগা অবস্থার উপর নির্ভর করে।উনি আমাকে না জেনে ভালোবেসেছেন।আমি জেনেও ভালোবাসতে পারবো না।

দিপা  – :কেন?

নিলীমা:কারণ আছে…উনি জানেন,আমার বাড়ি কথায়?এখানে কত বছর ধরে আছি?আগের জীবন কেমন ছিল?….যদি জানতেন তাহল প্রেম তো দূরের কথা ঘৃনা করতেন।

দিপা:সে সমস্ত কিছু জানতে চাই না।শুধু বল ওকে ভালোবাস কি না?

(নিলীমা ভেবে পায়না কি উত্তর দেবে।অনেকক্ষণ পর….)

নিলীমা: – আমি উনাকে পছন্দ করি।এতবার চেষ্টা করেও নিজেকে আটকাতে পারিনি।ভালবেসে ফেলেছি।তাই বার বার তার দৃষ্টির আড়াল হতে চেয়েছি।

দিপা:কেন?

নিলীমা  – সব কেনর উত্তর দিতে বাধ্য নই‌।আর আপনাকে আমি চিনিনা-জানিনা কেন বলতে যাব?আপনি এখন যান‌।আমার কাজ আছে‌।আমি গেলাম।

দিপা  – আমি তোমাকে ভালোভাবে কথাটা বলতে এসেছি।তোমার এত ভাব।আগে জানলে আসতাম না।হিরুর মত ছেলে জীবনে কোন দিন খুঁজে পাবে না।আর এত যে রুপের গর্ব দেখাচ্ছো।এটা কয় দিনের।

নিলীমা – না!আপনি ভুল ভাবছেন।আমি গর্ব করছি না।সেটা আমার নেই।

দিপা – :তাহলে কি!

নিলীমা:আপনি বুঝতেই চাচ্ছেন না।অসুবিধা আছে….

দিপা – দয়া করে বল।

(কিছুক্ষণ চুপ করে থাকার পর।)

নিলীমা – :আচ্ছা তাহলে শুনুন,আমার দুর্ভাগ‍্যের কথা শুনলে আপনি কষ্ট পাবেন।আমি সেই হতভাগী নারীদের একজন যাদের খবর আপনারা পেপারে,টিভিতে রোজ দেখেন।সমাজের কিছু কুলাঙ্গার আমার সাথেও তেমন ব‍্যবহার করেছে….

(নিলীমার গলা বেয়ে কথা আসছে না।চোখে বিন্দু বিন্দু জল।দিপা অবাক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।)

দিপা:মানে!

নিলীমা:মানেটা খুব কঠিন!আজ থেকে দুই বছর আগে আমরা আসামে বাস করতাম।সুখের পরিবার।বাবা,মা,ভাই,বোন সবাই আছে।আমি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী।একদিন টিউশন থেকে ফেরার পথে….আমাকে তুলে নিয়ে যায় কয়েকজন ছেলে‌।যারা আমার সাথে পশুর মত আচরন করে।আমি ধর্ষিত হই।…

.অনেকদিন হাসপাতালে ছিলাম।তার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরি।এদিকে লোক মুখে কথাটা ছড়িয়েছে বহুদূর।লজ্জায় বেরতে পারতাম না।বাবা,মার চোখের দিকে তাকাতে পারতাম না।বাবা-মাও আমার দিকে তাকাতে পারতেন না।কিছু কিছু সমাজিক মানুষ নানা মন্তব্য করতো।কেউ আবার দেখাতো সহানুভূতি।

সহানুভূতিকেও এই সময় অপমান মনে হত।তাই একটু ভালো ভাবে বাঁচতে,ছুটে বেরিয়েছি এখানে-ওখানে।শেষমেশ এসে উঠলাম মামার বাড়িতে।এখানে কেউ জানেনা,তাই শান্তিতে আছি।…আর একটা কথা,আমার মন কি চায় না কেউ আমাকে ভালোবাসুক?কেউ একান্ত আপন হোউক।আমি কাউকে মন উজাড় করে ভালোবাসি!

(দিপার মুখে কোন কথা নেই।স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।)

দিপা:তোমাকে কি বলবো?কি ভাবে সান্ত্বনা দেব।তার কোন ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না?

নিলীমা:এই জন্যই ভালোবাসা থেকে দূরে থাকতে চাই।ভালোবাসার মানুষকে প্রতারিত করতে চাই না।এ কথা শুনলে কে আমাকে ভালবাসবে?

(দিপা,নিলীমা দুজনেই চুপ।এবার দুজন দুজনের বিপরীতে দিকে চলতে শুরু করলো)

                                                     (৩)

(কয়েক দিন পর দিপা,হিরু আবার দেখা করলো।)

হিরু:কি রে,কি বলল নিলীমা?

(দিপা অপ্রস্তুত হয়ে)

দিপা:না,কিছু বলেনি।তোকে তো ভাল করে চিনেও না।

হিরু:অসম্ভব!হতে পারে না।তুই মিথ্যে বলছিস।

দিপা:(রেগে গিয়ে)কেন মিথ্যে বলবো?আমি তোকে ভালবাসি না কি?

হিরু:(অসহায়ের ভঙ্গি করে)বল না রে,বল না! তুই ছাড়া কে আমার এত আপন বলতো?আমাকে ভাল লাগেনি ওর!সত্যি বয়সটা বেশি হয়ে গেল নাকি!আমাকে পছন্দ হয়নি না!

দিপা:না না!ওরকম কিছু না।

হিরু:তাহলে!

দিপা:সহ‍্য করতে পারবি,ও যা বলেছে!

হিরু:পারবো!তুই বল….

দিপা:নিলীমা তোকে পছন্দ করে।(হিরু লাফাতে লাগল)থাম!একটা সমস্যা আছে!

হিরু:কি বল?আর কোন সমস্যাই সমস্যা নয়।

দিপা:ওহ!তাই না!তাহলে শুন,নিলীমা ধর্ষিত হয় কয়েক বছর আগে!

(হিরু স্তম্ভিত,মুখের ভাষা উধাও।কিছুক্ষণ পর….)

হিরু:আমি ওর সাথে দেখা করবো।

দিপা:এসব কথা শুনার পরেও!

হিরু:এখন দেখা করাটা বেশি প্রয়োজন।আজ জানতে পেরেছি নিলীমা আমাকে পছন্দ করে।এর পরে দূরে সরে গেলে নিজের কাছে নিজে ছোট হয়ে যাব‌।আর আমার ভালোবাসা এতটাও ঠুনকো নয় যে এই কথা শুনে ওর কাছ থেকে পালিয়ে যাব।যেটাতে ওর কোন দোষ নেই।

(দিপা অবাক।মুখে কোন কথা নেই!হিরুর দিকে তাকিয়ে আছে।)

দিপা তুই বাড়ি যা।আমি আসছি।

                                           (৪)

(নিলীমা রাস্তা ধরে আসছে।হিরু তার সামনে গিয়ে দাঁড়াল।নিলীমা হিরুকে দেখেই মুখ ফিরিয়ে অন‍্য দিকে যেতে লাগল।)

হিরু:নিলীমা শুন!

নিলীমা:কি বলবেন?

হিরু:কেন যে তুমি এমন করছ?

নিলীমা:জানেন না কেন এমন করছি?

(কেঁদে ফেলল নিলীমা।)

হিরু:জানি,কিন্তু তাতে তো তোমার দোষ নেই!যারা দোষ করেছে তারা তো দিব্বি হাসিখুশি ঘুরছে আর তুমি এত কষ্ট পাচ্ছ!ভুলে যাও ও সব।

নিলীমা:কষ্ট পাব না!আর ভুলে যেতে বলেন!এই ঘটনার জন্য বসতবাড়ি ছেড়েছি।সমাজের কাছে মুখ লুকিয়েছি।এত দূরে আপন জন ছেড়ে!….

হিরু:সমাজের মানুষদের মুখোমুখি দ্বাড়াতে হবে।তাদের লজ্জা পেলে চলবে না।কেউ যদি তোমাকে অচ্ছুত ভাবে,সেটা হবে ওদের হীন মানষিকতার পরিচয়।

নিলীমা:এসব শুনতে ভাল লাগে।এটা আপনারও মুখের কথা,মনের কথা নয়।জিঙ্গেস করুন নিজেকে?

হিরু:না!মনের কথাই।তাই ছুটে এসেছি তোমার কাছে।তোমাকে ভালোবাসি….

(নিলীমা অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে হিরুর দিকে।)

নিলীমা:এর পরেও!

হিরু:হ‍্যাঁ…

নিলীমা:না!আপনার আর আমার রাস্তা এক হতে পারে না।আপনি  জীবনে ভাল মেয়ে পাবেন।

হিরু:সেই ভাল মেয়েটা তুমিই।

(নিলীমা কাঁদতে লাগলো।)

নিলীমা:আমি আপনার কাছে কৃতজ্ঞ।আমাকে নুতন করে বাঁচার প্রেরণা দিলেন।তবুও আমাদের মিলন সম্ভব নয়।

হিরু:কেন?

নিলীমা:আপনার ভালোবাসাই থাকুক প্রপ্তির ঝুলিতে।এটা নিয়েই বাঁচবো।আমি কোনদিন আপনার ঘৃনা সহ‍্য করতে পারবো না।এর চেয়ে বেশি চাওয়া অন‍্যায়।এই অধিকার টুকু শুধু দিন।

হিরু:পুরো মানুষটার অধিকার নাও।

নিলীমা:না!শুধু আপনার ভালোবাসাই থাক।এটাই আমার ভবিষ্যতের স্মৃতি।আজ আপনার মোহ আছে আমার প্রতি তাই কিছু বলবেন না।কাল মোহে টান পড়বে।সংসার জীবনে ঝগড়া-ঝাটি হবে‌।তখন আপনি যে আমাকে করুনা করেছেন তা মনে করিয়ে দেবেন।আর যদিও বা না দেন,মনে মনে আফশোষ করবেন!যেটা আমি ভালোবাসার মানুষের কাছ থেকে সহ‍্য করতে পারবো না।

(হিরুর মুখে কোন কথা নেই।)

বরং এই ভাল আমি আপনার স্মৃতি নিয়েই থাকি।

হিরু:এটাই কি তোমার ইচ্ছে!

নিলীমা:হ‍্যাঁ!

হিরু:ঠিক আছে!

(হিরু নিলীমার দিক থেকে মুখ সরিয়ে সোজা হাঁটতে লাগল উদাস মনে আর নিলীমা আকাশে দিকে তাকিয়ে রইল।চোখ দুটো যেন নীরব সমুদ্র।)

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: